ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য। কিন্তু ধানের ফলন কমিয়ে দেওয়ার অন্যতম ক্ষতিকর পোকা হলো মাজরা পোকা (Stem borer) পোকা ধানের কাণ্ডের ভেতরে ঢুকে কাণ্ডের নরম অংশ খেয়ে ফেলে। ফলে গাছের কুশি অবস্থায়মরা কুশি’ (Dead heart) এবং শীষ আসার পরসাদা শীষ’ (Whitehead) দেখা যায়। আক্রান্ত কাণ্ডের ভেতর পোকার লার্ভা বা মলজাতীয় পদার্থ পাওয়া যেতে পারে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) ধানের মাজরা পোকা দমনে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (IPM), কৃষিতাত্ত্বিক ব্যবস্থাপনা এবং কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর ওপর গবেষণা প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করে আসছে। এই লেখায় তাই এমন কিছু জৈব, পরিবেশবান্ধব কৃষকবান্ধব ব্যবস্থা তুলে ধরা হলো, যেগুলো মাঠ পর্যায়ে সহজে প্রয়োগ করা যায়।

মাজরা পোকা কীভাবে ক্ষতি করে?

মাজরা পোকার পূর্ণবয়স্ক স্ত্রী পোকা সাধারণত পাতায় বা গাছের বিভিন্ন অংশে ডিম পাড়ে। ডিম থেকে বের হওয়া কীড়া কাণ্ডে প্রবেশ করে ভেতরের টিস্যু খেতে থাকে। কাণ্ডের ভেতরে থাকার কারণে কীটনাশক প্রয়োগ করেও অনেক সময় প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায় না।

আক্রমণের প্রধান লক্ষণ

  • ধানের কুশি অবস্থায় মাঝের পাতা শুকিয়ে যায়এটিই মরা কুশি
  • শীষ বের হওয়ার পর শীষ সাদা হয়ে যায়, কিন্তু দানা পূর্ণ হয় নাএটিই সাদা শীষ
  • আক্রান্ত কাণ্ডের ভেতরে ছিদ্র পোকার মল দেখা যেতে পারে।
  • গাছ টানলে আক্রান্ত কাণ্ড সহজে আলাদা হয়ে আসতে পারে।

মাজরা পোকা ধানের চারা থেকে পরিপক্বতা পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে আক্রমণ করতে পারে।

কেন শুধু কীটনাশকের ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়?

মাজরা পোকার লার্ভা কাণ্ডের ভেতরে ঢুকে যাওয়ার পর তাকে বাইরে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। অন্যদিকে নির্বিচারে কীটনাশক ব্যবহার করলে মাজরা পোকার প্রাকৃতিক শত্রুযেমন বিভিন্ন পরজীবী বোলতা, মাকড়সা শিকারি পোকাক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে দীর্ঘমেয়াদে জমিতে প্রাকৃতিকভাবে পোকা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

তাই প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত পোকা দেখা দিলেই বিষ প্রয়োগ নয়; বরং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, ডিমের গাদা ধ্বংস, উপকারী পোকা সংরক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জৈব যান্ত্রিক ব্যবস্থা গ্রহণ।

মাজরা পোকা দমনে জৈব পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি

. ট্রাইকোগ্রামা বা ডিমের পরজীবী বোলতা ব্যবহার

মাজরা পোকার ডিম ধ্বংসে Trichogramma spp. অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপকারী পোকা। এরা মাজরা পোকার ডিমের ভেতরে ডিম পাড়ে এবং পরজীবী হওয়ার মাধ্যমে মাজরা পোকার নতুন প্রজন্মের জন্ম কমিয়ে দেয়।

আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (IRRI)-এর তথ্য অনুযায়ী, Trichogramma-কে ‘Tricho-card’-এর মাধ্যমে জমিতে প্রয়োগ করা যায়। উপযুক্ত সময়ে ধরনের পরজীবী বোলতা ছাড়লে তারা মাজরা পোকার ডিম খুঁজে পরজীবী করে।

কৃষকের করণীয়: স্থানীয় কৃষি অফিস বা অনুমোদিত উৎসে Trichogramma/Tricho-card পাওয়া গেলে কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত। নিজের ইচ্ছায় অজানা উৎসের কোনো জীবাণু বা পোকা জমিতে ছাড়া উচিত নয়।

. মাজরা পোকার ডিমের গাদা সংগ্রহ করে ধ্বংস

এটি সবচেয়ে সহজ, নিরাপদ এবং কম খরচের পদ্ধতিগুলোর একটি।

নিয়মিত জমি পরিদর্শন করে পাতায় মাজরা পোকার ডিমের গাদা পাওয়া গেলে তা সংগ্রহ করে নষ্ট করতে হবে। বীজতলা রোপণের পরপরই বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়া দরকার। IRRI- বীজতলা রোপণের সময় ডিমের গাদা সংগ্রহ করে ধ্বংস করার পরামর্শ দেয়।

তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলোযে ডিমের গাদায় ইতোমধ্যে Trichogramma-এর পরজীবিতা হয়েছে, সেগুলো অযথা নষ্ট করা ঠিক নয়। তাই সম্ভব হলে কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে ডিমের গাদা শনাক্ত করা ভালো।

. ফেরোমোন ফাঁদ ব্যবহার

মাজরা পোকার পুরুষ পোকাকে আকৃষ্ট করতে ফেরোমোন ফাঁদ ব্যবহার করা যায়। এটি মূলত পুরুষ পোকার সংখ্যা কমানো এবং পোকার উপস্থিতি সম্পর্কে আগাম ধারণা পাওয়ার একটি পরিবেশবান্ধব উপায়।

IRRI-এর নির্দেশনায় মাজরা পোকার ক্ষেত্রে ফেরোমোন লিউর নির্দিষ্ট দূরত্বে স্থাপন করে পর্যবেক্ষণ করার কথা বলা হয়েছে।

তবে ফেরোমোন ফাঁদকে একমাত্র দমন পদ্ধতি হিসেবে না দেখে মনিটরিং + অন্যান্য IPM ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ব্যবহার করাই বেশি কার্যকর।

. জমিতে উপকারী পোকা সংরক্ষণ

ধানক্ষেতে অনেক পোকা আসলে কৃষকের বন্ধু। বিভিন্ন পরজীবী বোলতা, শিকারি পোকা, মাকড়সা অন্যান্য প্রাকৃতিক শত্রু মাজরা পোকার ডিম লার্ভা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

তাই

  • অকারণে কীটনাশক ছিটাবেন না।
  • জমিতে পোকা দেখলেই বিষ প্রয়োগ করবেন না।
  • উপকারী পোকা মাকড়সা দেখা গেলে সংরক্ষণ করুন।
  • প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার করবেন না।

ব্রি কীটতত্ত্ব বিভাগও প্রাকৃতিক আবাসস্থল ব্যবস্থাপনা, উপকারী পোকা সংরক্ষণ এবং সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার ওপর কাজ করছে।

. সুষম সার ব্যবহার

অতিরিক্ত ইউরিয়া প্রয়োগ করে ধানকে অস্বাভাবিক নরম ঘন করে তোলা ঠিক নয়। মাটি পরীক্ষা সুপারিশ অনুযায়ী সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে।

IRRI মাজরা পোকা ব্যবস্থাপনায় নাইট্রোজেন সার প্রয়োজন অনুযায়ী ভাগ করে এবং সঠিক সময়ে প্রয়োগ করার পরামর্শ দেয়।

অর্থাৎ একবারে বেশি ইউরিয়া না দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী ভাগ করে প্রয়োগ করা কৃষকের জন্যও ভালো এবং পোকার চাপ ব্যবস্থাপনায় সহায়ক।

কৃষিতাত্ত্বিক কৃষকবান্ধব দমন ব্যবস্থা

জৈব পদ্ধতির পাশাপাশি কিছু সাধারণ কৃষি ব্যবস্থাপনা মাজরা পোকার জীবনচক্র ভাঙতে অত্যন্ত কার্যকর।

. একই এলাকার জমিতে কাছাকাছি সময়ে রোপণ

একেক জমিতে একেক সময়ে ধান লাগালে মাজরা পোকার জন্য সারা মৌসুমে খাদ্য আশ্রয়ের ব্যবস্থা থাকে। সম্ভব হলে একই এলাকার কৃষকেরা সমন্বিত বা কাছাকাছি সময়ে রোপণ করলে পোকার বিস্তার কমাতে সাহায্য করতে পারে।

. জমির নাড়া ফসলের অবশিষ্টাংশ ব্যবস্থাপনা

ধান কাটার পর আক্রান্ত নাড়া জমিতে রেখে দিলে মাজরা পোকার লার্ভা পুত্তলি সেখানে বেঁচে থাকতে পারে। তাই ফসল কাটার পর

  • জমির অবশিষ্টাংশ যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করতে হবে;
  • আক্রান্ত নাড়া স্বেচ্ছাজাত ধানগাছ সরিয়ে ফেলতে হবে;
  • সম্ভব হলে জমি ভালোভাবে চাষ করতে হবে;
  • স্থানীয় চাষাবাদ পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জমিতে পানি দিয়ে/জমি প্রস্তুত করে অবশিষ্ট পোকার জীবনচক্র ভাঙতে হবে।

ধান কাটার পর নাড়া, স্বেচ্ছাজাত ধান জমি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মাজরা পোকার পরবর্তী প্রজন্ম কমানোর বিষয়টি IRRI-এর ব্যবস্থাপনা নির্দেশনাতেও রয়েছে।

. চারা রোপণের আগে পাতার আগা ছাঁটাই

বীজতলা থেকে চারা তোলার সময় পাতার ওপর থাকা পোকার ডিম যাতে মূল জমিতে চলে না যায়, সে জন্য স্থানীয় সুপারিশ অনুযায়ী চারা রোপণের আগে পাতার আগা ছাঁটাই করা যেতে পারে। IRRI ব্যবস্থাকে বীজতলা থেকে মাজরা পোকার ডিম বহন কমানোর একটি পদ্ধতি হিসেবে উল্লেখ করেছে।

. সহনশীল বা উপযোগী জাত নির্বাচন

যেসব জাত স্থানীয় পরিবেশে মাজরা পোকার আক্রমণ তুলনামূলকভাবে কম সহ্য করে বা সহনশীল বলে কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সুপারিশ করে, সেসব জাত অগ্রাধিকার দেওয়া ভালো। জাত নির্বাচন অবশ্যই এলাকার জন্য সুপারিশকৃত জাতের তালিকা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী করা উচিত।

. নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন

মাজরা পোকা দমনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ

সপ্তাহে অন্তত কয়েকবার জমি ঘুরে দেখুন। বিশেষ করে

  • মাঝের পাতা শুকিয়েছে কি না;
  • কোনো কুশি সহজে টেনে উঠে আসছে কি না;
  • শীষ সাদা হয়ে যাচ্ছে কি না;
  • পাতায় ডিমের গাদা আছে কি না;
  • কাণ্ডে ছিদ্র বা পোকার মল আছে কি না।

এসব লক্ষণ দেখা গেলে আক্রান্ত গাছ পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে।

মরা কুশিদেখলেই কী করবেন?

এক-দুটি মরা কুশি দেখেই পুরো জমিতে কীটনাশক ছিটানো ঠিক নয়। প্রথমে আক্রান্ত কুশি তুলে কাণ্ড চিরে দেখুন। ভেতরে মাজরা পোকার লার্ভা বা সংশ্লিষ্ট ক্ষতির লক্ষণ আছে কি না যাচাই করুন।

ক্ষেতের বিভিন্ন অংশ থেকে নমুনা নিয়ে আক্রমণের মাত্রা বোঝার চেষ্টা করুন। IRRI-এর ব্যবস্থাপনা নির্দেশনায় নির্দিষ্ট পর্যায়ে প্রায় % dead heart বা সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষণ সূচক দেখা গেলে রাসায়নিক ব্যবস্থার প্রয়োজন বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে।

তবে এই মাত্রাকে সব জাত, মৌসুম এলাকার জন্য অন্ধভাবে একই সিদ্ধান্তের ভিত্তি করা উচিত নয়। স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা/উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী অর্থনৈতিক ক্ষতির মাত্রা বিবেচনা করাই নিরাপদ।

কৃষকের জন্য সহজমাজরা পোকা ব্যবস্থাপনা ক্যালেন্ডার

বীজতলা পর্যায়

নিয়মিত ডিমের গাদা খুঁজুন
ডিমের গাদা সংগ্রহ ধ্বংস করুন
সুস্থ সবল চারা তৈরি করুন
অপ্রয়োজনীয় কীটনাশক এড়িয়ে চলুন

চারা রোপণের সময়

স্থানীয় সুপারিশ অনুযায়ী চারা প্রস্তুত করুন
আক্রান্ত/দুর্বল চারা বাদ দিন
প্রয়োজন হলে রোপণের আগে পাতার আগা ছাঁটাই করুন

রোপণের পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ

নিয়মিত জমি পর্যবেক্ষণ করুন
মরা কুশি দেখা গেলে কাণ্ড পরীক্ষা করুন
উপকারী পোকা সংরক্ষণ করুন
অকারণে কীটনাশক ব্যবহার করবেন না

কুশি শীষ আসার সময়

ডিমের গাদা মাজরা পোকার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করুন
প্রয়োজন অনুযায়ী ফেরোমোন ফাঁদ ব্যবহার করুন
অনুমোদিত উৎসের Trichogramma/Tricho-card থাকলে কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োগ করুন
সুষম সার সেচ ব্যবস্থাপনা বজায় রাখুন

ফসল কাটার পর

আক্রান্ত নাড়া অবশিষ্টাংশ যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করুন
স্বেচ্ছাজাত ধানগাছ সরিয়ে ফেলুন
পরবর্তী মৌসুমের জন্য জমি পরিষ্কার প্রস্তুত করুন

কখন রাসায়নিক কীটনাশক বিবেচনা করবেন?

জৈব কৃষিতাত্ত্বিক ব্যবস্থা নেওয়ার পরও যদি মাজরা পোকার আক্রমণ অর্থনৈতিক ক্ষতির পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তখন স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে নিবন্ধিত অনুমোদিত বালাইনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে।

এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে

পোকা দেখলেই কীটনাশকনয়; বরংপর্যবেক্ষণশনাক্তকরণক্ষতির মাত্রা নির্ধারণজৈব/যান্ত্রিক ব্যবস্থাপ্রয়োজন হলে অনুমোদিত কীটনাশক’—এই ধারাটিই IPM-এর মূলনীতি।

ব্রি গবেষণাতেও ধানের পোকামাকড় দমনে কীটনাশক ছাড়া কৃষিতাত্ত্বিক ব্যবস্থাপনা এবং চারা রোপণের পর নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কীটনাশক ব্যবহার না করে পোকা ব্যবস্থাপনার প্রযুক্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

শেষ কথা

ধানের মাজরা পোকা দমনে সবচেয়ে কার্যকর কৌশল হলো একটি পদ্ধতির ওপর নির্ভর না করে কয়েকটি পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি একসঙ্গে প্রয়োগ করা ডিমের গাদা ধ্বংস, নিয়মিত মাঠ পর্যবেক্ষণ, Trichogramma-এর মতো প্রাকৃতিক শত্রু ব্যবহার, ফেরোমোন ফাঁদ, উপকারী পোকা সংরক্ষণ, সুষম সার প্রয়োগ, সময়মতো চাষ নাড়া ব্যবস্থাপনাসবগুলো মিলে একটি কার্যকর সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা তৈরি করতে পারে।

সবচেয়ে বড় কথা, মাজরা পোকা দমনে প্রতিরোধ পর্যবেক্ষণই প্রথম কাজ, কীটনাশক শেষ বিকল্প এতে উৎপাদন খরচ কমানো, পরিবেশ রক্ষা এবং উপকারী পোকা সংরক্ষণের পাশাপাশি নিরাপদ টেকসই ধান উৎপাদন সম্ভব হয়।

বাংলাদেশে মাজরা পোকাসহ ধানের বিভিন্ন বালাই ব্যবস্থাপনা নিয়ে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট নিয়মিত গবেষণা প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করছে। কৃষকের জমির জাত, মৌসুম পোকার আক্রমণের মাত্রা অনুযায়ী সর্বশেষ পরামর্শের জন্য স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করাই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।